প্রশ্ন : বায়োডাটা জমা দিতে কত টাকা লাগে?
উত্তর : বায়োডাটা জমা দিতে ১০০০ টাকা লাগে।
প্রশ্ন : কিভাবে পাত্র পাত্রী খুঁজে দেওয়া হয়?/ পাত্র -পাত্রীর খুঁজতে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়?
উত্তর : প্রথমত রেজিস্ট্রেশন মাধ্যমে বায়োডাটা প্রদান ও নির্ধারিত ফি জমা দিন।জমা দেয়া বায়োডাটার সম্পূর্ণ তথ্য ঠিকঠাক থাকলে শুভ বিবাহ ডট কমে কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করবেন।যদি পাত্র/পাত্রীর চাহিদা অনুযায়ী বায়োডাটা, জামাকৃত বায়োডাটার সঙ্গে ম্যাচ করে তবে শুভ বিবাহ ডট কম কর্তৃপক্ষ পাত্র ও পাত্রী দুই পক্ষকে ইনশাআল্লাহ যোগাযোগ করিয়া দিবেন।এ সার্ভিস প্রযোজ্য এক বছর এর জন্য। বিশেষ দ্রষ্টব্য :জমা দেয়া টাকা সম্পূর্ণভাবে অফেরত যোগ্য।ভুল ও মিথ্যা তথ্য বায়োডাটায় প্রদান করলে বা সত্য গোপন করলেএর দায়ভার বায়োডাটা প্রদানকারী ব্যক্তি বহন করবে, শুভ বিবাহ ডট কম বহন করবে না।
প্রশ্ন : শুভ বিবাহ ডট কমে এজেন্ট এর মাধ্যমে কাজ করা হয়?
উত্তর : জি শুভ বিবাহ ডট কমে এজেন্টের দ্বারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কাজ চুক্তির মাধ্যমেকরা যাবে ইনশাআল্লাহ । সেক্ষেত্রে বায়োডাটা জমা দান ফি সহ আরো অতিরিক্ত টাকা আলোচনা সাপেক্ষে প্রদান করতে হবে।
প্রশ্ন : শুভ বিবাহ ডট কম কতদিন পর্যন্ত সার্ভিস দিবে?
উত্তর : বায়োডাটা প্রদান করে টাকা প্রদানের সাল হতে পরবর্তী এক বছর ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সার্ভিস পাবেন। সেক্ষেত্রে বিয়ে না হলে পুনরায় সার্ভিস চার্জ প্রদান করে আমাদের ওয়েবসাইটে আপনার বায়োডাটা বহাল রাখতে পারেন। অন্যথায় প্রতিষ্ঠান চাইলে আপনার বায়োডাটা যেকোনো সময় ওয়েবসাইট হতে ডিলিট করা বা ওয়েবসাইটে রেখে দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে।
প্রশ্ন : টাকা প্রদান করার পরে ফেরত নেওয়া যাবে কিনা?
উত্তর : জমা দেয়া টাকা সম্পূর্ণভাবে অফেরত যোগ্য।
প্রশ্ন : বায়োডাটা এপ্রুভ না হওয়ার কারণ কি?
উত্তর : নিম্নলিখিত কারণে আমরা বায়োডাটা এপ্রুভ করি না। রেজিস্ট্রেশন করন ও বায়োডাটা প্রদানের পর নির্ধারিত ফি প্রদান না করলে। আপনার অভিভাবক যদি আপনার বিয়েতে সম্মতি না দেন । পাত্রীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের ফোন নাম্বারের জায়গায় নিজের ফোন নাম্বার লিখে রাখলে। বায়োডাটার ১ম ধাপে নিজের নাম না লিখলে। নিজের ছবি না দিয়ে অন্যকারো ছবি বা অপ্রাসঙ্গিক ছবি আপলোড করলে। (ছবি দিতে না চাইলে ছবির অপশনটি ফাঁকা রাখবেন) সাধারণ তথ্য, শিক্ষাগত্য যোগ্যতা, পারিবারিক তথ্য, ব্যক্তিগত তথ্য, ধর্মীয় তথ্য, যেমন জীবনসঙ্গী চান এই ৬টি অংশ যথাযথভাবে পূরণ না করলে। যোগাযোগ তথ্যে নিজের নাম্বার ও অভিভাকের নাম্বার না দিলে। বায়োডাটাতে কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে।